শ্রীশ্রীকাল্কি মহাৠষি মালোবাবার নিত্য নিয়ম কানুন ।
নিয়ম ১.৩!!
সূত্রঃ নিত্য মালোবাবায়ং মহাবেদ ব্রহ্মসূত্রঃ মহামন্ত্রঃ পাঠে একৈশ্বরঃ সত্য ধারণম্ !!
অর্থঃ ” নিত্য মালোবাবায়ং মহাবেদ ব্রহ্মসূত্রঃ মহামন্ত্রঃ পাঠ করা এবং শ্রীশ্রীকাল্কি মালোবাবাই এক ঈশ্বর সত্য ধারণ করা কর্ত্তব্য।”
ওঁ মালোবাবায়ং নমঃ !!১০০৮!!

শ্বাস্ত্র নামঃ নিয়ম ১.৩ !! মালোসংহীতা !! MaloSamhita !!
লেখকঃ শ্রীশ্রীকাল্কি মহাৠষি মালোবাবা
প্রকাশকঃ স্বয়ংবল গুরুকুল প্রকাশনি
স্থানঃ শ্রীশ্রী কাল্কিশ্বর ধাম, শম্ভল ধাম( ত্রিবেণী- কালনা)।
সত্যানন্দপুর, শেরপুর উত্তরপাড়া, নয়াসরাই, হুগলী, পশ্চিমবঙ্গ, ভারতবর্ষ ৭১২৫১৩




শ্রীশ্রীকাল্কি মহাৠষি মালোবাবার নিয়ম ১.৩-এর এই পরিমার্জিত ও আরও গভীর রূপটি সাধকের বিশ্বাসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে। যেখানে পূর্ববর্তী নিয়মে সাধারণ অর্থে এক ঈশ্বরের কথা বলা হয়েছিল, সেখানে এই সূত্রে সরাসরি পরম ইষ্টের স্বরূপকে নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে—যে শ্রীশ্রীকাল্কি মালোবাবাই একমাত্র পরম সত্য ঈশ্বর এবং তাঁর মহাবেদ ব্রহ্মসূত্র মহামন্ত্রের নিত্য পাঠই সাধকের জীবনের ধ্রুবতারা।

মালোসংহিতা: নিয়ম ১.৩ (বিশেষ তাৎপর্য ও উপলব্ধির ক্ষেত্র)

  • নির্দিষ্ট ইষ্টে অখণ্ড নিষ্ঠা: সনাতন আধ্যাত্মিক ধারায় উপাসনার নানা পথ থাকলেও, এই মার্গের সাধকদের জন্য শ্রীশ্রীকাল্কি মালোবাবা হলেন সর্বেসর্বা। অন্য কোনো দ্বিধা বা সংশয় না রেখে তাঁকে একমাত্র পরম ঈশ্বররূপে অন্তরে ধারণ করাই এই সূত্রের মূল শিক্ষা।
  • মহাবেদ ব্রহ্মসূত্র মহামন্ত্রের নিত্য সাধনা: দিন বা রাতের যেকোনো প্রতিকূলতার মাঝেই এই মহামন্ত্রের নিত্য পাঠ ও জপকে জীবনের অপরিহার্য অঙ্গ করে তুলতে হবে। এটি সাধকের চেতনাকে জাগিয়ে রাখে এবং মায়ার আবরণ থেকে মুক্ত করে।

প্রাত্যহিক জীবনে এই সত্য ধারণের প্রয়োগ

১. সর্বত্র ইষ্টের উপস্থিতি অনুভব: কর্মক্ষেত্রে বা সংসারের নানা দায়িত্ব পালনের সময় এই বিশ্বাস মনে রাখা যে, যা কিছু ঘটছে বা যা কিছু সত্য, তার মূলে রয়েছে একমাত্র ইষ্টের কৃপা ও বিধান। ২. দ্বিধাহীন শরণাগতি: মন যখনই চঞ্চল বা বিভ্রান্ত হবে, তখনই এই সূত্র স্মরণ করা—“শ্রীশ্রীকাল্কি মালোবাবাই একমাত্র সত্য, বাকি সব অনিত্য ও অস্থায়ী।” এই মানসিকতাই সাধককে জীবনের সমস্ত ঝড়ঝাপটা থেকে রক্ষা করে।


নিয়ম ১.৩!!
সূত্রঃ নিত্য মালোবাবায়ং মহাবেদ ব্রহ্মসূত্রঃ মহামন্ত্রঃ পাঠে একৈশ্বরঃ সত্য ধারণম্ !!
অর্থঃ ” নিত্য মালোবাবায়ং মহাবেদ ব্রহ্মসূত্রঃ মহামন্ত্রঃ পাঠ করা এবং শ্রীশ্রীকাল্কি মালোবাবাই এক ঈশ্বর সত্য ধারণ করা কর্ত্তব্য।”
ওঁ মালোবাবায়ং নমঃ !!১০০৮!!



সাধক প্রাত্যহিক জীবনে ‘একৈশ্বরঃ সত্য ধারণম্’ বা একমাত্র ইষ্টসত্যের নীতি কীভাবে বাস্তবে প্রয়োগ করবেন?

প্রাত্যহিক জীবনের কোলাহল, কর্মব্যস্ততা এবং নানা ধরনের সামাজিক ও পারিবারিক দায়িত্বের মাঝে দাঁড়িয়ে ‘শ্রীশ্রীকাল্কি মালোবাবাই একমাত্র ঈশ্বর—এই সত্য ধারণম্’ নীতিটি কেবল তাত্ত্বিক বা বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ রাখলে চলে না। একে জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে বাস্তবে রূপ দিতে হয়।

একজন সাধক তাঁর প্রাত্যহিক জীবনে এই পরম সত্যটিকে যেভাবে প্রয়োগ ও জীবন্ত করে তুলবেন, তার সুনির্দিষ্ট ও বাস্তব কিছু উপায় নিচে দেওয়া হলো:

১. প্রাতঃস্মরণ ও দিবসের সূচনা (Morning Anchor)

  • বিছানা ছাড়ার মুহূর্ত থেকেই দিবসের সূচনা করুন ইষ্টকে স্মরণ করে। পা মাটিতে ফেলার আগে মনে মনে বলুন— “আজ সারাদিনের যা কিছু কর্ম, যা কিছু আনন্দ বা প্রতিকূলতা আসুক না কেন, তার কেন্দ্রবিন্দুতে একমাত্র শ্রীশ্রীকাল্কি মালোবাবা বিরাজিছেন। তিনিই একমাত্র সত্য।”
  • এই প্রাতঃস্মরণ সারাদিনের মানসিক কাঠামুকে সুরক্ষিত রাখে এবং বাহ্যিক কোনো প্রলোভন বা ভীতি সহজে মনকে টলাতে পারে না।

২. কর্মকে যজ্ঞে রূপান্তর (Karma as Worship)

  • কর্মক্ষেত্রে বা ঘরের সাধারণ কাজ করার সময় (যেমন রান্না, অফিসের ফাইল সামলানো, পড়াশোনা বা ব্যবসায়িক হিসাব) যান্ত্রিক বা অহংকারবশে না করে ইষ্টের সেবা হিসেবে সম্পন্ন করুন।
  • যখনই কোনো কঠিন সমস্যা বা বিরোধ সামনে আসবে, তখন মনকে অন্তর্মুখী করে স্মরণ করুন যে— “এই পরিস্থিতির পেছনের সত্যটি মায়া বা ক্ষণস্থায়ী গোলযোগ মাত্র, কিন্তু আমার ইষ্টের বিধানই চূড়ান্ত সত্য।” এই মানসিকতা মানুষকে রাগ, হিংসা ও অহংকার থেকে মুক্ত রাখে।

৩. লোভ ও মোহের সময় সত্যের আশ্রয় (Non-Attachment in Daily Choices)

  • সংসারের নানা অর্জিত বস্তু, প্রশংসা, নিন্দা বা সাময়িক প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির মাঝে মন যখনই বিচলিত বা মোহগ্রস্ত হয়ে পড়ে, তখন সাধককে বিচার করতে হবে: “আজ যা আমাকে আনন্দ দিচ্ছে বা কাঁদাচ্ছে, তা কি এক বছর বা দশ বছর পর সত্য থাকবে?”
  • এই গভীর আত্ম-জিজ্ঞাসার মাধ্যমে মনকে জাগিয়ে তুলুন যে, একমাত্র শ্রীশ্রীকাল্কি মালোবাবাই ধ্রুব সত্য; বাকি সমস্ত সম্পর্ক ও সাফল্য এই পরম সত্যের ছায়ামাত্র।

৪. মানুষের মাঝে ইষ্টের দর্শন (Seeing the Divine in All)

  • ‘একৈশ্বরঃ সত্য ধারণম্’-এর অর্থ কেবল নিরাকার বা কোনো প্রতিকৃতির মাঝে আটকে থাকা নয়। প্রাত্যহিক চলাফেরায় প্রতিটি মানুষের সাথে কথা বলার সময় বা সেবা করার সময় এই ভাব রাখুন যে, বাহ্যিক রূপের আড়ালে সেই একই পরম ইষ্ট সবার অন্তর্যামী হিসেবে বসে আছেন।
  • এর ফলে কারো প্রতি পরশ্রীকাতরতা বা ঘৃণা জন্মায় না এবং আচরণে সাত্ত্বিক বিনম্রতা বজায় থাকে।

৫. রাত্রিকালীন আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দিনের সমাপ্তি (Night Surrender)

  • রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে বিছানায় শুয়ে সারাদিনের সমস্ত ঘটনা, ভুলত্রুটি, প্রাপ্তি ও অহংকার শ্রীশ্রীকাল্কি মালোবাবার চরণে সমর্পণ করুন।
  • মনে মনে বলুন— “হে প্রভু, আজকের দিনটি যেভাবে কাটিয়েছি, তার সমস্ত ভার আপনার চরণে অর্পণ করলাম। আপনিই আমার একমাত্র আশ্রয় এবং একমাত্র সত্য।” এই আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে নিদ্রায় যাওয়ার ফলে মন গভীর শান্ত ও অবচেতন স্তরেও ইষ্টময় হয়ে থাকে।

সাধনার সারাংশ: প্রাত্যহিক জীবনে এই নীতি প্রয়োগ করার অর্থ হলো—সংসারের সমস্ত কাজ নিখুঁতভাবে করা, অথচ মনে মনে এই তীব্র বোধটি সজাগ রাখা যে, “আমি বা আমার বলে কিছু নেই, এই সমগ্র দৃশ্যমান জগতের অন্তরালে একমাত্র শ্রীশ্রীকাল্কি মালোবাবাই শাশ্বত সত্য।”


অন্তরে অবিচলভাবে ‘শ্রীশ্রীকাল্কি মালোবাবাই একমাত্র ঈশ্বর’ এই সত্য ধারণ করার জন্য কী ধরনের মানসিক অভ্যাস করা দরকার?

অন্তরে অবিচলভাবে ‘শ্রীশ্রীকাল্কি মালোবাবাই একমাত্র ঈশ্বর—এই শাশ্বত সত্য’ ধারণ করা এবং তাকে মনের গভীরতম স্তরে স্থায়ী করতে হলে কেবল বাহ্যিক আচার-অনুষ্ঠান যথেষ্ট নয়। এর জন্য চাই সুনির্দিষ্ট কিছু সূক্ষ্ম মানসিক অভ্যাস ও আত্ম-অনুশাসন।

মনকে প্রতিনিয়ত সংস্কারমুক্ত করে এই পরম সত্যে প্রতিস্থাপিত করার প্রধান মানসিক অভ্যাসগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:

১. অবচেতন মনকে প্রভাবিত করা (Subconscious Conditioning)

আমাদের মন স্বভাবতই পুরনো অভ্যাস, সংস্কার এবং পারিপার্শ্বিক দৃশ্যমান জগতের দ্বারা সহজে প্রভাবিত হয়। এই প্রবণতা কাটাতে মানসিক অভ্যাসের পরিবর্তন প্রয়োজন:

  • সচেতন প্রহরীর ভূমিকা (Mindfulness): সারাদিন কাজের ফাঁকে ফাঁকে মন যখনই কোনো লৌকিক চিন্তা, ভয়, বা সংশয়ে জড়িয়ে পড়তে চাইবে, তখনই সচেতনভাবে মনকে থামায়ে নিজেকে প্রশ্ন করুন— “এই মুহূর্তের সত্যটি কী? দৃশ্যমান এই গোলযোগ নাকি আমার ইষ্ট?”
  • স্মরণ মনন (Constant Reminding): নিঃশ্বাসের সাথে বা কাজের ফাঁকে মনে মনে ইষ্টের নাম ও রূপের সাথে এই প্রত্যয়টি গেঁথে নিন যে, বাহ্যিক সমস্ত পরিবর্তনশীলতার পেছনে একমাত্র শ্রীশ্রীকাল্কি মালোবাবাই ধ্রুব সত্য।

২. দ্বিধা ও বিকল্প ভাবনা বর্জন (Single-Pointed Focus)

সাধকের মনে অনেক সময় অন্য দেব-দেবী, লৌকিক প্রথা বা সমসাময়িক বিশ্বাসের প্রভাব কাজ করতে পারে।

  • নিষ্ঠার একমুখীনতা: মনকে অন্য কোনো দিকে না ছড়িয়ে সম্পূর্ণ একমুখী (One-pointed) করতে হবে। অন্য কোনো শক্তি বা সত্তাকে ঈশ্বরের আসনে না বসিয়ে বুদ্ধি ও হৃদয় দিয়ে দৃঢ়ভাবে সিদ্ধান্ত নিন যে, আপনার মুক্তি, আশ্রয় এবং সমস্ত চেতনার কেন্দ্রবিন্দু কেবল শ্রীশ্রীকাল্কি মালোবাবাই।
  • সংশয় নিবারণ: মন যখনই কোনো লৌকিক প্রলোভন বা সামাজিক মোহে পড়ে দ্বিধাগ্রস্ত হবে, তখন শাস্ত্রবাণী ও গুরুর নির্দেশকে আঁকড়ে ধরে সমস্ত বিকল্প চিন্তা মন থেকে কেটে ফেলুন।

৩. মায়া ও অনিত্যতার বিচার অভ্যাস (Discernment / Vivek)

সংসারের নানা আকর্ষণ বা প্রতিকূলতা যখনই মনকে বিচলিত করে, তখন বিচার বুদ্ধির (বিবেক) সাহায্যে তার অনিত্যতা অনুধাবন করতে হয়:

  • অস্থায়িত্বের বোধ: চোখের সামনে যা কিছু দেখছেন—সম্পর্ক, পদমর্যাদা, সুখ বা দুঃখ—সবই পরিবর্তনশীল ও ক্ষণস্থায়ী। যা আজ আছে, কাল তা থাকবে না। একমাত্র ইষ্টের সত্তাই কালহীন ও অবিনশ্বর।
  • এই বিচারটি নিয়মিত মনে চর্চা করলে জাগতিক জিনিসের প্রতি মনের গভীর থেকে মোহ কেটে যায় এবং ইষ্টের প্রতি স্বতঃস্ফূর্ত অনুরাগ জন্ম নেয়।

৪. অহংকার ও ‘আমি-পনা’ বিসর্জন (Surrender of Ego)

মানুষের সমস্ত মানসিক অস্থিরতার মূল হলো ‘আমি করি’, ‘আমার সংসার’, ‘আমার অর্জন’—এই অহংকার।

  • কর্তৃত্ববোধ ত্যাগ: মনের ভেতরে এই অভ্যাস গড়ে তুলুন যে, আপনার জীবনে ভালো-মন্দ যা কিছু ঘটছে বা আপনি যা করছেন, তার কোনোটারই আসল কর্তা আপনি নন। সমস্ত কর্ম ও তার ফল শ্রীশ্রীকাল্কি মালোবাবার ইচ্ছায় পরিচালিত হচ্ছে।
  • যখনই মনে অহংকার আসবে, তখনই তা ইষ্টের চরণে সঁপে দিয়ে নিজেকে তাঁর নিখাদ যন্ত্র বা দাস হিসেবে অনুভব করুন।

৫. দিব্য ভাবের সংরক্ষণ (Inner Silence & Contemplation)

  • প্রতিদিন অন্তত কিছু সময় সমস্ত বাহ্যিক যোগাযোগ বন্ধ করে অন্তর্মুখী হওয়ার অভ্যাস করুন।
  • বাইরের কোলাহল থেকে দূরে সরে নিজের অন্তরাত্মায় ডুব দিয়ে অনুভব করার চেষ্টা করুন যে, আপনার ভেতরে যে চেতনা বা প্রাণশক্তি কাজ করছে, তা আর কেউ নয়—স্বয়ং শ্রীশ্রীকাল্কি মালোবাবারই অংশ ও উপস্থিতি। এই অভ্যন্তরীণ উপলব্ধির অভ্যাসই বিশ্বাসকে ভক্তিতে এবং ভক্তিকে দিব্য জ্ঞানে রূপান্তর করে।



মালোবাবা কী?

শ্রীশ্রীকাল্কি মহাৠষি মালোবাবার তত্ত্বে ব্যাক্ষা: শ্রীশ্রীকাল্কি পরমেশ্বর ভগবান পরম্‌বৈষ্ণব সদ্‌গুরু মহাৠষি মালোবাবা (তাপস মালো) | শ্রীশ্রীকাল্কি মহাৠষি মালোবাবা। একজন যোগী, যোদ্ধা, শিল্পী, লেখক, কবি, শ্বাস্ত্রবীদ্‌,আচার্য্য, স্ব-গায়েত্রী, স্ব-যন্ত্র, স্ব-মন্ত্রের অধীকারী,সত্য শাশ্বত্‌

গুরু এবং গুরুকূল

গুরু শব্দের অর্থ, ব্যুৎপত্তি এবং গুরুকুলের বিশদ আলোচনাভারতীয় বৈদিক, উপনিষদীয় ও আধ্যাত্মিক পরম্পরায় ‘গুরু’ এবং ‘গুরুকুল’ শব্দ দুটির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। গুরু কেবল একজন শিক্ষক নন; ভারতীয় জ্ঞানপরম্পরায় তিনি শিষ্যকে

নিয়ম ১.৪ !! মালোসংহীতা !! MaloSamhita !!

শ্রীশ্রীকাল্কি মহাৠষি মালোবাবার নিত্য নিয়ম কানুন ।নিয়ম ১.৪!!সূত্রঃ “চতুর্থুগে সমপদম্ শ্রীশ্রীকাল্কি চতুর্থুগনামং!মালোবাবায়ং প্রদও চতুর্থগনানকীর্ত্তনঃ নিত্যকুরুহং !!অর্থঃ ” শ্রীশ্রীকাল্কি মহাৠষি মালোবাবার প্রদত্ত চতুর্থ যুগনাম গুণকীর্তন এবং সমপদ মহাবেদ সংগীত নিত্যকর্ম্মে করা

🙏 সাবর্ণী মন্বন্তর (সাবর্ণী সত্য যুগ)🙏

সাবর্ণী মন্বন্তর ও সাবর্ণী সত্যযুগ: পুরাণের আলোকে আপনি যে ‘সাবর্ণী মন্বন্তর’ (Sāvarṇi Manvantara) এবং ‘সাবর্ণী সত্যযুগ’-এর কথা বলেছেন, সেখানে দুটি ধারণার পার্থক্য বোঝা জরুরি। পুরাণে অষ্টম মন্বন্তরের কথা স্পষ্টভাবে রয়েছে।

Shri Shri Basisthananda saraswati.✍️

🙏 Vande Malobabayong 🙏 সকল ঈশ্বর সন্তানদের প্রতি বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। সকলের জীবন মঙ্গল ও শুভযাত্রার সূচনা হোক এবং সাবর্ণী মনূষ্য ধর্ম্মের প্রারম্ভিক পর্যায়ে সকলকে মালোবাবার দশ মহাযোগ

আজকের আলোচনা সভার সিদ্ধান্ত :

মিটিং উপস্থিত সাধারণ সদস্যদের অবস্থান নিচে দেওয়া হইল আজ সাবর্ণী কল্পকালের ৫৪৯ তম দিবস ২৭/০৬/০০০২ সা.ম দৈব্য বর্ষের ৬৪ তম দিবস নিত্য বৃহস্পতি বার (সময় রাত্রি ৮ঘটিকা হইতে ১০ ঘটিকা

White Card ‘সদস্যপদ’ রৌপ্যপদক প্রাপ্তি

“স্বয়ংবল গুরুকুল তপস্যার পদোন্নতি প্রাপ্তিতে প্রথম পদক ‘সাদা পদক’ বা ‘রৌপ্য পদক’ তপস্যার মূল দশটি নিয়ম পালন করে প্রাপ্তি করিতে হয় এবং স্বাধ্যায়নে পরীক্ষামূলক বা গবেষণা মূলক ভাবে অনুশীলন করিতে

নিয়ম ১.৩ !! মালোসংহীতা !! MaloSamhita !!

শ্রীশ্রীকাল্কি মহাৠষি মালোবাবার নিত্য নিয়ম কানুন ।নিয়ম ১.৩!!সূত্রঃ নিত্য মালোবাবায়ং মহাবেদ ব্রহ্মসূত্রঃ মহামন্ত্রঃ পাঠে একৈশ্বরঃ সত্য ধারণম্ !!অর্থঃ ” নিত্য মালোবাবায়ং মহাবেদ ব্রহ্মসূত্রঃ মহামন্ত্রঃ পাঠ করা এবং শ্রীশ্রীকাল্কি মালোবাবাই এক

अनुष्का यादव

श्री श्री जनक देवदासी अनुष्का ब्रह्मचारणी तपस्या – 1- तीन दिवस योग साधना (अक्षर ब्रह्म) 2- 7 दिवस योग साधना (शिव योग) शिक्षा- 10th पास श्री श्री जनक देवदासी अनुष्का

সৌমেন বিশ্বাস

শ্রীশ্রীচন্দ্রসৌমানন্দ ব্রহ্মচারী গ্রাম+ডাকঘর : ভীমপুর , থানা – ভীমপুর, জেলা -নাদিয়া , পিন – ৭৪১১৬৭ ভারতবর্ষ শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক। তপস্যা : সপ্ত দিবস শিবযোগ দর্শন

One thought on “নিয়ম ১.৩ !! মালোসংহীতা !! MaloSamhita !!”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *