নিত্য মানব জীবনে একটি সাধারন প্রশ্নঃ বন্দেমালোবাবায়ং কী? ‘বন্দে মালোবাবায়ং’ হলো শ্রীশ্রীকাল্কি মহাঋষি মালোবাবার প্রতি নিবেদিত একটি অত্যন্ত ভক্তিপূর্ণ ও আধ্যাত্মিক সম্বোধন বা বন্দনা। এই বন্দনা এবং এর পেছনের দার্শনিক

নিত্য মানব জীবনে একটি সাধারন প্রশ্নঃ
বন্দেমালোবাবায়ং কী?
‘বন্দে মালোবাবায়ং’ হলো শ্রীশ্রীকাল্কি মহাঋষি মালোবাবার প্রতি নিবেদিত একটি অত্যন্ত ভক্তিপূর্ণ ও আধ্যাত্মিক সম্বোধন বা বন্দনা।
এই বন্দনা এবং এর পেছনের দার্শনিক তাৎপর্য নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:
- আভিধানিক ও ভাবার্থ: ‘বন্দে’ শব্দের অর্থ আমি বন্দনা করি বা প্রণাম জানাই, এবং ‘মালোবাবায়ং’ হলো শ্রীশ্রীকাল্কি মহাঋষি মালোবাবাকে উদ্দেশ্য করে করা একটি বিশেষ সম্মানসূচক ও ভক্তিমূলক উচ্চারণ। তাঁর অনুসারী ও সাধকগণ পরম শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা এবং সমর্পণের নিদর্শনস্বরূপ এই বন্দনা ব্যবহার করেন।
- দার্শনিক সংযোগ: ত্রিবেণী-কালনার ‘শম্ভল ধাম’ এবং ‘শ্রীশ্রীকাল্কিশ্বর ধাম ট্রাস্ট’-এর আধ্যাত্মিক ধারায় মালোবাবাকে মানবকল্যাণ ও ‘সাবর্ণী মনুষ্যধর্ম’ প্রচারের এক মহাজাগতিক পথপ্রদর্শক হিসেবে মান্য করা হয়।
- সাধনা ও উত্তরণ: এই উচ্চারণের মাধ্যমে অনুসারীরা মালোবাবার প্রবর্তিত বেদ দর্শন, মহাবেদ, ‘শ্রীশ্রীকাল্কি গীতা’ এবং আধ্যাত্মিক শিক্ষাগুলোর প্রতি নিজেদের আনুগত্য ও আত্মিক সংযোগ প্রকাশ করেন, যা মানুষকে কুসংস্কার ও সংকীর্ণতা থেকে মুক্ত করে বিশ্বজনীন ঐক্যের (‘মালোকুল’) দিকে চালিত করে।
বন্দে = বন্দনা;
মালোবাবায়ং = মা + লো + বাবা + য়ং;
মা = জগৎমাতা বা জগৎ প্রকৃতি বা মাতৃশক্তি ।
লো = মূলাধার সংযোগস্থল বা সৃষ্টিতত্ত্ব ।
বাবা = জগৎপিতা বা পুরুষার্থ বা পৃত্রিশক্তি ।
য়ং = হৃদয়ে ভক্তি শ্রদ্ধা ধারণ ।
বিশ্লেষণ অত্যন্ত গভীর, আধ্যাত্মিক এবং তাত্ত্বিক তাৎপর্যে সমৃদ্ধ। ‘বন্দে মালোবাবায়ং’ বাক্যটির এই শব্দার্থ ও বর্ণ বিশ্লেষণ আধ্যাত্মিক সাধনা এবং দর্শনের এক অসাধারণ রূপ ফুটিয়ে তোলে। আপনার দেওয়া এই বিশ্লেষণ অনুযায়ী প্রতিটি অংশের তাৎপর্য নিচে আরও একটু সুসংহত করা হলো:
- বন্দে: পরম শ্রদ্ধা ও ভক্তির সাথে প্রণতি বা বন্দনা নিবেদন করা।
- মা (মাতৃশক্তি): বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের আদি জননী, জগৎমাতা বা মূল প্রকৃতি—যিনি সৃষ্টির উৎস এবং পালিকা শক্তি।
- লো (সৃষ্টিতত্ত্ব ও আধার): সৃষ্টির মূল আধার বা মূলাধার সংযোগস্থল, যেখান থেকে চেতনার বিকাশ এবং সৃষ্টিতত্ত্বের বিস্তার ঘটে।
- বাবা (পিতৃশক্তি): জগৎপিতা, পরম পুরুষ বা পুরুষার্থ শক্তি—যিনি স্থায়িত্ব, শৃঙ্খলা এবং অভিভাবকত্বের প্রতীক।
- য়ং (হৃদয়ে ভক্তি ও শ্রদ্ধা): অন্তরের গভীর থেকে ভক্তি, শ্রদ্ধা ও সমর্পণকে হৃদয়ে ধারণ করার প্রক্রিয়া, যা সাধককে পরম চেতনার সাথে যুক্ত করে।
এই বিশ্লেষণ অনুসারে, ‘বন্দে মালোবাবায়ং’ কেবল একটি সাধারণ বন্দনা নয়; এটি মাতৃশক্তি (প্রকৃতি) ও পিতৃশক্তি (পুরুষ)-এর মিলনস্থল, সৃষ্টির মূল আধার এবং হৃদয়ে ভক্তি ধারণ করার এক শাশ্বত আধ্যাত্মিক সাধনা।

সাধন-ভজন এবং আধ্যাত্মিক সাধনার অন্তরালে ‘বন্দে মালোবাবায়ং’ ধ্বনিটির সাধনামূলক তাৎপর্য অত্যন্ত গভীর ও তাৎপর্যপূর্ণ। সাধক ও অনুসারীদের সাধন-ভজনের আঙ্গিকে এই মন্ত্রটির ব্যাখ্যা নিচে তুলে ধরা হলো:
- সাধনায় মাতৃশক্তি (মা) ও পিতৃশক্তি (বাবা)-র মিলন: সাধক যখন সাধনমার্গে অগ্রসর হন, তখন তাঁর কুণ্ডলিনী শক্তি বা চেতনাকে জাগরিত করার জন্য ‘মা’ (প্রকৃতি বা শক্তি) এবং ‘বাবা’ (পুরুষ বা শিব/চেতন সত্ত্বা)-র মেলবন্ধন প্রয়োজন হয়। সাধভজনে এটি ইড়া ও পিঙ্গলা নাড়ীর সামঞ্জস্য এবং শিব-শক্তির ঐক্যের প্রতীক।
- মূলাধার ও সৃষ্টিতত্ত্ব (‘লো’): সাধন-ভজনের প্রথম ধাপ হলো মূলাধার চক্র বা সৃষ্টির মূল উৎসস্থলে মনকে নিবদ্ধ করা। ‘লো’ বা মূলাধার সংযোগস্থল হলো সেই বিন্দু, যেখান থেকে যোগসাধনার মাধ্যমে প্রাণশক্তি বা কুণ্ডলিনী শক্তি ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করে।
- হৃদয়ে ভক্তি ও সমর্পণ (‘য়ং’): সাধনার মূল চাবিকাঠি হলো ভক্তি। সমস্ত ক্রিয়া, ধ্যান ও যোগসাধনার ফল যখন সাধক তাঁর হৃদয়ে পরম ভক্তি ও শ্রদ্ধার (‘য়ং’) সাথে ধারণ করেন, তখনই সাধনা পূর্ণতা লাভ করে।
এইভাবে, সাধন-ভজনের দিক থেকে বিচার করলে ‘বন্দে মালোবাবায়ং’ কেবল একটি বাহ্যিক বন্দনা নয়, এটি মূলাধার থেকে হৃদয় পর্যন্ত চেতনাকে জাগরিত করার এবং প্রকৃতি ও পুরুষের মিলনে আত্মাকে পরম চেতনার সাথে যুক্ত করার এক অভ্যন্তরীণ যোগসাধনা।
বন্দে মালোবাবায়ং’ শ্রীশ্রীকাল্কি মহাঋষি মালোবাবার দর্শনে
১| আমি বন্দনা করি মালোবাবার
২| আমি বন্দনা করি জগৎ মাতা পিতার
৩| আমি বন্দনা করি জন্মদাতা মাতা পিতার
৪| আমি বন্দনা করি গুরু রূপে মালোবাবার
৫| আমি বন্দনা করি পরমেশ্বর ভগবাণ মালোবাবার
৬| আমি বন্দনা করি কুলকুন্ডলিনী শক্তি মাতৃশক্তি পৃত্রি শক্তির
৭| আমি বন্দনা করি সপ্তঋষিত্ব ধারণকারী মহাৠষি মালোবাবার |
৮| আমি বন্দনা করি তাপসের ব্রহ্ম চৈতন্য একঈশ্বর| একব্রহ্ম নাম ‘মালোবাবা’র
৯| আমি বন্দনা করি নবজ্যোতি বা নবব্রহ্ম ধারণকারী মালোবাবার
১০| আমি বন্দনা করি সর্ব্বকালের এক ভগবান ঈশ্বর শ্রীশ্রীকাল্কি পরমেশ্বর ভগবাণ মালোবাবার
এই দশটি স্তরে বিন্যস্ত বন্দনাটি শ্রীশ্রীকাল্কি মহাঋষি মালোবাবা-র দর্শনে এক পরম আধ্যাত্মিক উপলব্ধির চরম প্রকাশ। এখানে ব্যক্তিগত ভক্তি থেকে শুরু করে বিশ্বজনীন চেতনা, গুরুতত্ত্ব, সৃষ্টিতত্ত্ব এবং পরম ব্রহ্মের সাথে একাত্ম হওয়ার এক সুমহান রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
আ এই স্তবকগুলোর ওপর ভিত্তি করে মালোবাবার দর্শনের একটি গভীর তাত্ত্বিক ও সাধনামূলক সংযোগ নিচে তুলে ধরা হলো:
- ব্যক্তিগত ও গুরুভক্তি (১, ৪, ৫, ১০): সাধক যখন প্রথম স্তরে নিজেকে সমর্পণ করেন, তখন তিনি মালোবাবাকে কেবল একজন সাধারণ মানবগুরু হিসেবে দেখেন না, বরং তাঁকে গুরু, পরমেশ্বর ভগবান এবং সর্বকালের শাশ্বত কাল্কি রূপে বন্দনা করেন। এটি সাধকের চরম আত্মিক সমর্পণের প্রকাশ।
- সৃষ্টির উৎস ও মাতা-পিতা (২, ৩, ৬): এই স্তবগুলোতে নিখিল ব্রহ্মাণ্ডের জগৎমাতা ও জগৎপিতার পাশাপাশি জন্মদাতা মাতা-পিতা এবং কুলকুণ্ডলিনী শক্তির (প্রকৃতি ও পুরুষের যৌথ প্রবাহ) বন্দনা করা হয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে, এই দর্শনে বাহ্যিক ঈশ্বর উপাসনার পাশাপাশি লৌকিক জীবনের জন্মদাতা পিতা-মাতাকেও সমান মর্যাদায় ঈশ্বরের আসনে অধিষ্ঠিত করা হয়েছে।
- সপ্তঋষি ও ব্রহ্ম চৈতন্য (৭, ৮): মালোবাবাকে ‘সপ্তঋষিত্ব ধারণকারী মহাৠষি’ এবং ‘ব্রহ্ম চৈতন্য ও একব্রহ্ম’ হিসেবে উল্লেখ করার মাধ্যমে প্রাচীন ঋষিকুল ও বৈদিক দর্শনের সাথে এই আন্দোলনের সরাসরি যোগসূত্র স্থাপিত হয়েছে। ‘মালোবাবা’ নামটি এখানে কেবল একটি নাম নয়, বরং অদ্বৈতবাদী চেতনার একব্রহ্ম বা পরম সত্যের প্রতীক।
- নবজ্যোতি ও নবব্রহ্ম (৯): কলিযুগের অন্তিম লগ্নে অন্ধকার ভেদ করে যে নবজ্যোতি বা নতুন যুগের উন্মেষ ঘটে, মালোবাবা সেই নবব্রহ্ম বা নবচেতনার ধারক ও বাহক হিসেবে পূজিত হন।
সর্বপরি, আপনার এই দশটি বন্দনা ‘বন্দে মালোবাবায়ং’ মন্ত্রটির বহুমাত্রিক ও পূর্ণাঙ্গ রূপকে প্রকাশ করে, যেখানে মূলাধার থেকে শুরু করে ব্রহ্মাণ্ডের অন্তিম চেতনা পর্যন্ত এক সুষম সেতুবন্ধন রচিত হয়েছে।
এখানে কোনো ভৌত বা প্রকৌশলগত সেতু নয়, বরং মানুষের জীবন, চেতনা এবং আধ্যাত্মিক সাধনার সাথে পরম ব্রহ্মের সংযোগকারী “আধ্যাত্মিক সেতু বা সেতুবন্ধন”-এর কথাই নির্দেশ করা হয়েছে।
শ্রীশ্রীকাল্কি মহাৠষি মালোবাবার দর্শন এবং ‘বন্দে মালোবাবায়ং’ চক্র ও যন্ত্রের প্রেক্ষাপটে এই আধ্যাত্মিক সেতু নির্মাণের স্বরূপটি নিচে ব্যাখ্যা করা হলো:
- বস্তু ও চেতনার সেতু (যোগ এবং ক্যারাটে): মানুষের স্থূল শরীর এবং সূক্ষ্ম মনের মধ্যে সংযোগ সাধনের জন্য ক্যারাটে ও যোগদর্শনের মাধ্যমে যে শৃঙ্খলার সেতু তৈরি হয়, তা শরীরকে সবল এবং মনকে শান্ত করে।
- জ্ঞান ও অজ্ঞতার সেতু (বেদ ও দর্শন): মহাবেদ, শ্রীশ্রীকাল্কি গীতা এবং উপনিষদের শিক্ষা হলো এমন এক সেতু, যা মানুষকে অজ্ঞানতার অন্ধকার থেকে প্রজ্ঞা ও আলোর দিকে উন্নীত করে।
- ব্যষ্টি ও সমষ্টির সেতু (সাবর্ণী মনুষ্যধর্ম): সংকীর্ণতা ও গোঁড়ামি পেরিয়ে সমস্ত মানবজাতিকে একটি বিশ্বজনীন পরিবার বা ‘মালোকুল’-এর সুতোয় বাঁধার সেতু হলো ‘সাবর্ণী মনুষ্যধর্ম’।
- নর-নারীর ও শক্তির সেতু (মা, লো, বাবা ও য়ং): মাতৃশক্তি (প্রকৃতি) ও পিতৃশক্তি (পুরুষ)-র মিলন এবং মূলাধার থেকে হৃদয়ে ভক্তি ধারণ করার মধ্য দিয়ে জীবাত্মা ও পরমাত্মার মধ্যে যে নিত্য সংযোগ বা সেতু রচিত হয়, তা সাধককে পূর্ণতা দেয়।
সংক্ষেপে বলতে গেলে, মালোবাবার দর্শনে এই সেতু নির্মাণের অর্থ হলো—মানব জীবনকে শারীরিক, মানসিক, সামাজিক এবং আধ্যাত্মিক দিক থেকে সুসংগত করে পরম চেতনার সাথে একীভূত করা ব্রহ্ম চেতনায় উজ্জীবিত করা।

শ্রীশ্রীকাল্কি মহাৠষি মালোবাবার সকল গোপেশ্বরধামের ভক্ত এবং ভক্ত পরিবারের সহিত সংযুক্ত হইয়া আমি “শ্রীশ্রীরাখালদাস সূর্য্যনারায়ন ব্রহ্মচারী “(সূর্য্য জর), সম্পাদক স্বয়ংবল গুরুকুল এবং শ্রীশ্রীকাল্কিশ্বরধাম ট্রাস্ট, আনন্দিত এবং প্রফুল্লতা সঙ্গে শুভ বিজয়া
……… শ্রী শ্রী বশীষ্ঠানন্দ সরস্বতী ✍️ সনাতন ধর্ম্ম কী? — অর্থ, ব্যুৎপত্তি, শাস্ত্রীয় প্রমাণ ও মূল দর্শন সনাতন ধর্ম্ম এক চিরন্তন ধর্ম্মনীতি জীবনদর্শনকে বোঝায়, যা সত্য, ন্যায়, নৈতিকতা, আত্মজ্ঞান, জীবের
গুরুদেব, সর্বপ্রথম আমার প্রণাম নেবেন, আমি বিপ্লব মণ্ডল, পিতা ৺বিল্বমঙ্গল মণ্ডল , মাতা বিশাখা মণ্ডল , মনিগ্রাম -ধর্মপুকুরিয়া অঞ্চলের , বনগ্রাম ব্লক এর উঃ ২৪ পরগণা জেলার অন্তর্গত, পশ্চিম বাংলার
শ্রীশ্রীকাল্কি মহাৠষি মালোবাবার তত্ত্বে ব্যাক্ষা: শ্রীশ্রীকাল্কি পরমেশ্বর ভগবান পরম্বৈষ্ণব সদ্গুরু মহাৠষি মালোবাবা (তাপস মালো) | শ্রীশ্রীকাল্কি মহাৠষি মালোবাবা। একজন যোগী, যোদ্ধা, শিল্পী, লেখক, কবি, শ্বাস্ত্রবীদ্,আচার্য্য, স্ব-গায়েত্রী, স্ব-যন্ত্র, স্ব-মন্ত্রের অধীকারী,সত্য শাশ্বত্
গুরু শব্দের অর্থ, ব্যুৎপত্তি এবং গুরুকুলের বিশদ আলোচনাভারতীয় বৈদিক, উপনিষদীয় ও আধ্যাত্মিক পরম্পরায় ‘গুরু’ এবং ‘গুরুকুল’ শব্দ দুটির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। গুরু কেবল একজন শিক্ষক নন; ভারতীয় জ্ঞানপরম্পরায় তিনি শিষ্যকে
শ্রীশ্রীকাল্কি মহাৠষি মালোবাবার নিত্য নিয়ম কানুন ।নিয়ম ১.৪!!সূত্রঃ “চতুর্থুগে সমপদম্ শ্রীশ্রীকাল্কি চতুর্থুগনামং!মালোবাবায়ং প্রদও চতুর্থগনানকীর্ত্তনঃ নিত্যকুরুহং !!অর্থঃ ” শ্রীশ্রীকাল্কি মহাৠষি মালোবাবার প্রদত্ত চতুর্থ যুগনাম গুণকীর্তন এবং সমপদ মহাবেদ সংগীত নিত্যকর্ম্মে করা
সাবর্ণী মন্বন্তর ও সাবর্ণী সত্যযুগ: পুরাণের আলোকে আপনি যে ‘সাবর্ণী মন্বন্তর’ (Sāvarṇi Manvantara) এবং ‘সাবর্ণী সত্যযুগ’-এর কথা বলেছেন, সেখানে দুটি ধারণার পার্থক্য বোঝা জরুরি। পুরাণে অষ্টম মন্বন্তরের কথা স্পষ্টভাবে রয়েছে।
🙏 Vande Malobabayong 🙏 সকল ঈশ্বর সন্তানদের প্রতি বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। সকলের জীবন মঙ্গল ও শুভযাত্রার সূচনা হোক এবং সাবর্ণী মনূষ্য ধর্ম্মের প্রারম্ভিক পর্যায়ে সকলকে মালোবাবার দশ মহাযোগ
মিটিং উপস্থিত সাধারণ সদস্যদের অবস্থান নিচে দেওয়া হইল আজ সাবর্ণী কল্পকালের ৫৪৯ তম দিবস ২৭/০৬/০০০২ সা.ম দৈব্য বর্ষের ৬৪ তম দিবস নিত্য বৃহস্পতি বার (সময় রাত্রি ৮ঘটিকা হইতে ১০ ঘটিকা

